Monday , May 20 2019
Breaking News
Home / শিক্ষা মূলক / গল্প / লাল গোলাপ
লাল গোলাপ

লাল গোলাপ

লাল গোলাপ

বহুকাল আগে গ্রামে এক কৃষক বাস করতো। তার ছিল একটি মাত্র কন্যা। তার কন্যার নাম ছিল এলিনা। এলিনা ছিল একটু চঞ্চল বুদ্ধিমান ও সত্যবাদী মেয়ে। অপরদিকে কৃষকের ভাই সোলায়মান ছিল একজন ব্যবসায়ী। তারও ছিল একটি মাত্র কন্যা। তার কন্যার নাম ছিল এলিজাবেথ। এলিনার বাবা হঠাৎ মারা যায়। ফলে এলিনার চাচা এলিনা ও তার মায়ের দায়িত্ব নেয়। তারা তার চাচার সংসারে বসবাস করতে থাকে ।এলিনা ও তার চাচাতো বোন এলিজাবেথের মধ্যে ছিল গভীর বন্ধুত্ব। একে অপরকে না দেখে একদিনও থাকতে পারতো না। তাদের এই বন্ধুত্ব সুলভ আচরণ দেখে পরিবারের সবাই খুব খুশি। একদিন এলিনা ও এলিজাবেথ বিদ্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলো। বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে এলিজাবেথ মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে গেল। এলিনা এটি দেখে চিৎকার করে কাঁদতে লাগলো এবং বাড়ির সবাইকে ডাকলো। এলিনার চিৎকার শুনে সবাই দৌড়ে আসলো এবং দেখল এলিজাবেথ মাটিতে পড়ে আছে। তাড়াতাড়ি তাকে মাটি থেকে উঠিয়ে হেকিমের কাছে নিয়ে যাওয়া হল।
সোলায়মান: আমার মেয়েটার কি হলো? আপনি একটু তাড়াতাড়ি দেখুন ।আমার মেয়েকে আপনি সুস্থ করে দিন।

হেকিম :আপনারা ভেঙে পড়বেন না, আমি দেখতেছি।
হেকিম এলিজাবেথকে দেখলো এবং চুপ করে রইলো।
সবাই বলতে লাগল কি হয়েছে এলিজাবেথের। আপনি চুপ করে আছেন কেন?
হেকিম: এলিজাবেথ মাথায় প্রচন্ড আঘাত পেয়েছে ।সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে ।সে যে আর ভালো হবে এমনটা মনে হয় না।
পরিবারের সবাই কান্নাকাটি করতে লাগলো।

এলিনা: তাকে ভালো করার আর কি কোনো উপায় নেই।
হেকিম :আছে মা, কিন্তু সে পথ বড়ই যে দুর্গম।

এলিনা যতই দুর্গম হোক না কেন আমরা আমাদের এলিজাবেথকে সুস্থ করার জন্য আমাদের সবটা দিয়ে চেষ্টা করব।

হেকিম: এই কাজ যেমন তেমন কাউকে দিয়ে হবে না।
এলিনা :আপনি আমাকে সব কিছু খুলে বলুন।
হেকিম :’হ্যাঁ …মা ,বলছি তুষার দেশের নীল পাহাড়ের উপর একটি বটগাছ আছে। সেই বট গাছের মাথায় একটি গোলাপ গাছ আছে। আর সেই গোলাপ গাছে একটি লাল টকটকে গোলাপ ফুল রয়েছে। শুধু ওই গোলাটি ছিঁড়ে আনতে হবে। আজ পর্যন্ত কেউই ওই লাল গোলাপ ছিঁড়ে আনতে পারেনি। গোলাপটি সুরক্ষিত করে রাখার জন্য গোলাপের চারোপাশে অন্য আরও গোলাপ দিয়ে মায়াজাল তৈরি করা হয়েছে। যাতে কেউ সহজে ওই গোলাপ ছিঁড়তে না পারে। আসল গোলাপটি ছাড়া নকল গোলাপটি হাত দিয়ে স্পর্শ করলেই সব গোলাপ একসাথে অদৃশ্য হয়ে যাবে। বুদ্ধি খাটিয়ে ওই গোলাপটি চিহ্নিত করতে হবে। ওই গোলাপ আনতে গিয়ে অনেকেই প্রাণ দিতে হয়েছে। কারন সেখানে মিথ্যাবাদীর কোন জায়গা নেই। লোভী মানুষ সেখানে যেতে পারবে না
সর্বদা সত্য কথা বলতে হবে। নিজের লোভ কে সামলাতে হবে ।বুদ্ধি দিয়ে কাজ করতে হবে।
যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা বলবে বা লোভে পড়বে সে সাথে সাথে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে।
এলিনা: দাদু ,,আমি ওই লাল গোলাপ এনে আমার প্রাণ প্রিয় বন্ধু এলিজাবেথকে সুস্থ করে তুলবো।
হেকিম: তোমার অনেক সাহস, কিন্তু আমি যানি না তুমি তোমার লোভকে সামলাতে পারবে কিনা। আমি দোয়া করি তুমি যেন এই কাজে সফলতা অর্জন করতে পারো।
সোলায়মান :কিন্তু এলিনা তুমি এত দুর্গম পথ কিভাবে পাড়ি দিবে। আমার এক মেয়ে অসুস্থ। আর অন্য মেয়েকে আমি বিপদে ফেলে দিতে পারিনা।

ভালোসার লাল গোলাপ

এলিনা: এলিজাবেথ আমার বোন, আমার খেলার সাথী, পড়ার সহপাঠী ওকে যেভাবেই হোক আমি সুস্থ করে তুলবো। এতে যদি আমার প্রাণ দিতে হয় তাও দিয়ে দেবো।

এই কথা বলে এলিনা সবার কাছ থেকে বিদায় নিল।
মা: এলিনা…. মা আমার …তুমি সাবধানে থেকো। আমার পুরো বিশ্বাস আছে তোমার উপর। তুমি এলিজাবেথকে সুস্থ করে তুলতে পারবে। তোমাকে বিদায়,,

এলিনা: বিদায় মা ..বিদায় কাকু.. বিদায় কাকিমা..
এলিনা গোলাপের উদ্দেশ্যে পথ চলতে শুরু করল। পথে হাঁটতে হাঁটতে সে ক্লান্ত হয়ে পরলো। এবং একটি বড় গাছের নিচে বিশ্রাম এর জন্য বসলো ।বিশ্রাম নিতে গিয়ে সে গাছের নিচেই ঘুমিয়ে পড়ল।
পরের দিন সকালে পাখির কিচির মিচির শব্দে তার ঘুম ভাঙলো। সে দেখল সূর্যের আলোয় চারদিক আলোকিত হয়ে আছে। হায়… সে ভাবল অনেক দেরি হয়ে গেল।
যদি আমি ঘুমিয়ে না পড়তাম তাহলে আরো অনেক দূর এগোতে পারতাম। যাক আর সময় নষ্ট করা যাবে না। সে আবার হাঁটতে শুরু করল। হাঁটতে হাঁটতে সে দেখতে পেল পথে একটি চড়ুই পাখি পড়ে আছে। পাখিটি উড়ার চেষ্টা করছে কিন্তু পারছেনা। সে পাখিটির কাছে গেল এবং দেখতে পেল পাখিটির পা থেকে রক্ত বের হচ্ছে। সে কিছু দূর্বা ঘাস তুলে আনল এবং ঔষধ বানিয়ে পাখির পায়ে প্রলেপ দিল। একটুকরো কাপড় দিয়ে পাখিটির পা বেঁধে দিল। সাথে সাথে পাখিটি ভালো হয়ে গেল ।
পাখি: তোমার এই উপকারের কথা আমি কখনো ভুলব না। তুমি আমার কাছে কি চাও বলো আমি তোমাকে এখনই তা এনে দিব।
এলিনা: আমার কিছু চাইনা। শুধু তুমি বলে দাও তুষার দেশের নীল পাহাড় টা কোন দিকে। পাখি: ও…. এই কথা… কিন্তু আমি যে ওখানে যেতে পারব না। তোমাকে আমার পাখার একটি পালক দিচ্ছি ।এই পালক তোমাকে পথ দেখিয়ে দেবে ।

এলিনা: তোমাকে ধন্যবাদ চড়ুই পাখি। আমাকে পথের হদিশ দেওয়ার জন্য ।
পাখি:তোমাকেও ধন্যবাদ মিষ্টি মেয়ে।
সে চড়ুই পাখির কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আবার পথ চলতে শুরু করলো। চড়ুই পাখির পালকের মাধ্যমে সে তার গন্তব্যের কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছল।
এলিনা পাহাড়ের কাছাকাছি পৌঁছালো। এবং দেখতে পেল পাহাড়ের চারোপাশে এবং পাহাড়ের গুহায় সোনা, রুপা ,হিরা ,মুক্তা, আরো অনেক অলংকার স্তরে স্তরে জড়ো হয়ে আছে। কিন্তু সে এই দিকে মন দিল না। হঠাৎ তার সামনে একজন পরী উপস্থিত হল।সে ভয় পেয়ে গেল।
পরী: তুমি এখানে কেন এসেছো
এলিনা: আমি গোলাপ গাছের ওই টকটকে লাল গোলাপটি নিতে এসেছি।
পরী:তুমি ওটা দিয়ে কি করবে?
এলিনা আমার প্রিয় বন্ধু এলিজাবেথ খুবই অসুস্থ। তাকে সুস্থ করে তোলার জন্য ওই লাল গোলাপটি খুবই প্রয়োজন।
পরী :তুমি তোমার চারোপাশে একবার তাকিয়ে দেখ ।এখানে মূল্যবান গহনা মূল্যবান পাথর সোনা, রুপা, হিরা রয়েছে। তোমার মন চাইলেই তুমি এগুলো নিতে পারো।

এলিনা:এগুলো আমি চাইনা?
পরী :এগুলো কে না চায় বলো! তুমি এগুলো বিক্রি করে প্রচুর টাকা পাবে। ভালো থাকতে পারবে,ভালো পড়তে পারবে, ভালো খেতে পারবে, তোমার অবস্থার উন্নতি হবে। সমাজের মানুষ তোমাকে সম্মান করবে।

এলিনা: আমি যদি বেঁচে থাকি তাহলে কোনো একদিন এই সম্পদ, গহনা আর সম্মান অর্জন করতে পারব। কিন্তু আমার প্রিয় বন্ধু ,আমার বোনের যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে আমি আর তাকে কোনদিনও খুঁজে পাবো না। এই দামী দামী সম্পদ এর চেয়ে আমার কাছে আমার বন্ধুর জীবন অনেক মূল্যবান।তাই আপনি আমাকে একটু সাহায্য করুন। একটু করুণা করুন। যে কোন মূল্যে আমি আমার বন্ধুকে সুস্থ করে তুলতে চাই।

পরী:তোমার কথা শুনে আমার খুব ভালো লাগলো।
পরী একটি সিঁড়ি দেখিয়ে বলল তুমি এই সিঁড়ি পার হয়ে পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছতে পারবে। তুমি সাবধানে এগিয়ে যাও।
এলিনা সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যেতে লাগল। সে প্রথম সিঁড়িতে পা রাখলো। এবং দ্বিতীয় সিঁড়িতে পা রাখতেই সিঁড়িটি অদৃশ্য হয়ে গেল। সে পড়ে যাচ্ছিল কোনমতে আবার সে সিঁড়িতে উঠে দাঁড়ালো। সে বুঝতে পারলো এটি একটি অদৃশ্য সিঁড়ি।এখানে আমাকে সাবধানে পা ফেলতে হবে।
কিন্তু কিভাবে?
সে ভেবে পাচ্ছিলো না। হঠাৎ তার মাথায় একটি বুদ্ধি এল। সে তার চুলের খোঁপা থেকে একটি ক্লিপ বের করলো। ওই ক্লিপটি তৃতীয় সিঁড়িতে নিক্ষেপ করল। দেখতে পেল তৃতীয় সিঁড়িটি এখনো বিদ্যমান রয়েছে।সাথে সাথে সে তৃতীয় সিঁড়িতে পা রাখল।এভাবে সে চতুর্থ সিঁড়িতে ক্লিপ নিক্ষেপ করল।দেখলো চতুর্থ সিঁড়িটি অদৃশ্য হয়ে গেলো। আবার সে পঞ্চম সিঁড়িতে ক্লিপ নিক্ষেপ করল। দেখলো সিঁড়িটি এখনো বিদ্যমান আছে। এভাবে সে প্রতিটি সিঁড়ি পরখ করলো। সে অবশেষে পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছালো।
সে আবার চিন্তায় পড়ে গেল। সে ভাবল গোলাপটি তো অনেক উপরে।কিন্তু আমি উপরে গিয়ে ঐ গোলাপটি কিভাবে আনবো। হঠাৎ তার সামনে আবারও একজন পরী উপস্থিত হল।
এলিনা :ভয় পেয়ে গেল।
পরী: নিশ্চয়ই তুমি ভাবছো কিভাবে ওই লাল গোলাপ ছিড়ে আনবে।
এলিনা: হ্যাঁ….. আমি বুঝতে পারছি না কিভাবে এই কাজটি করবো। আপনি দয়া করে আমাকে একটু সাহায্য করুন।
পরী: তোমাকে আমি অবশ্যই সাহায্য করব। যদি তুমি আমার প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারো। আর যদি না পারো তাহলে আমি তোমাকে সাথে সাথেই মেরে ফেলবো।
এলিনা:কি প্রশ্ন?আমায় জিজ্ঞেস করুন।
পরী তাকে তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করল।
প্রথম প্রশ্ন: মানুষকে আল্লাহ তায়ালা হিকমত দান করেছেন। আর এই হিকমতটা কি?
এলিনা: আল্লাহ তাআলা মানুষকে যে হিকমত দান করেছেন সেটি হলো বিশেষ জ্ঞান। পবিত্র কোরআনে আছে যাদের (বিশেষ জ্ঞান)দান করা হয়েছে। নিশ্চয়ই তারা পরম সম্পদের অধিকারী।

পরী তার উত্তর শুনে খুব খুশি হলো। তাকে আবার প্রশ্ন করল।

দ্বিতীয় প্রশ্ন:কিভাবে উপার্জিত খাদ্য সবচেয়ে উত্তম।
এলিনা: দুহাতের উপার্জিত খাদ্যই সবচেয়ে উত্তম খাদ্য।
পরী উত্তর শুনে খুশি হলো।সে আবারো প্রশ্ন করল।

তৃতীয় প্রশ্ন: জ্ঞানী আর মূর্খরা কি কখনো এক হতে পারে?
এলিনা: জ্ঞানী আর মূর্খরা কখনো এক হতে পারেনা। তারা প্রতিনিয়ত নিজেদের সর্বনাশ করে থাকে। পবিত্র হাদীসে আছে জ্ঞানীরাই হচ্ছে নবীগণের উত্তরাধিকারী। নবীগণ তো ধন দৌলতের কোন উত্তরাধিকারী রেখে যাননি বরং উত্তরাধিকারী বানিয়েছেন ইলম বা ইসলাম শিক্ষা। যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করল সেই একটি পূর্ণাঙ্গ সম্পদ প্রাপ্ত হল।

পরী তার উত্তরে খুশি হল এবং তৎক্ষণাৎ তাকে জাদুর মাধ্যমে গোলাপের কাছে নিয়ে গেল।
পরী: তুমি এখন গোলাপ ছিঁড়ে নাও।
এলিনা: এখানে তো অনেক গোলাপ, আমি কিভাবে বুঝবো, কোনটা আসল আর কোনটা নকল।
পরী:এটা আমিও বলতে পারব না। তোমাকেই বুদ্ধি খাটিয়ে আসল গোলাপটি খুঁজে বের করতে হবে।

লাল গোলাপ ভালোবাসা

এলিনা: আচ্ছা গোলাপ তো হাত দিয়ে স্পর্শ করা যাবে না। আমি তো অন্য কিছু দিয়ে স্পর্শ করতেই পারি।
পরী: হ্যাঁ… নিশ্চয়ই.. পরখ করে দেখতে পারো।
এলিনা আবার চুলের খোঁপা থেকে একটি ক্লিপ বের করল। আর ওই ক্লিপটি একটি গোলাপের উপর রাখল।সাথে সাথে গোলাপটি অদৃশ্য হয়ে গেল। সে আর একটি গোলাপের উপর ক্লিপ রাখল এবং তাও অদৃশ্য হয়ে গেল। এভাবে সে একের পর এক গোলাপের উপর ক্লিপ রেখে পরখ করতে লাগলো। শেষ পর্যন্ত সে একটি গোলাপের উপর ক্লিপ রাখল। দেখলো এখনো গোলাপটি বিদ্যমান আছে। অদৃশ্য হয়ে যায় নি। সে সাথে সাথে গোলাপি ছিঁড়ে নিল।
পরী: তুমি অনেক জ্ঞানী মেয়ে। তোমার বন্ধুর জন্য তুমি অনেক পরিশ্রম করেছ। আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুক। তুমি তাড়াতাড়ি যাও এবং বন্ধুকে ভালো করো। তোমাকে বিদায়।
এলিনা: তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। তুমি আমাকে অনেক সাহায্য করেছ। তোমার এই উপকারের কথা আমি কোনদিন ভুলবো না। তোমাকেও বিদায়।
এলিনা পরীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চড়ুই পাখির পালকের মাধ্যমে তাড়াতাড়ি বাড়ী ফিরে এলো। বাড়ির সবাই তাকে দেখে খুব খুশি হলো। সেই লাল গোলাপ দিয়ে ঔষধ বানিয়ে তার বন্ধুকে খাইয়ে দিল সাথে সাথে তার বন্ধু সুস্থ হয়ে গেল। আবার সবাই সুখে শান্তিতে বসবাস করতে লাগলো।

About moktokotha

Check Also

ঠগী কাদের বলে?

আপনারা কি জানেন ঠগী কাদের বলে? ঠগীরা ১৩ থেকে ১৯ শতকে বাংলায় এবং উত্তর ভারতে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *