Tuesday , July 23 2019
Breaking News
Home / উপন্যাস / মায়া। একটি ভালোবাসার গল্প

মায়া। একটি ভালোবাসার গল্প

মায়া

রাবেয়া গালে হাত দিয়ে বসে আছে রান্নাঘরে।
তার পাশে সালেহা তরকারি কুঁটছে।
রাত নয়টা বেজে গেছে রাতের রান্নার আয়োজন করতে হবে।
রাবেয়া একটু পর পর সে তার বাবার রুমে গিয়ে দেখে আসছে মেহমুদ কি করে।এখন তো দরজার ফাঁক দিয়ে দেখছে।চারবার চা খাওয়া হয়ে গেছে এরই মধ্যে।আর চা দেওয়া যাবে না,ঘরে চিনি নাই।।
লোকটা একের পর এক দলিলের ফাইল খুলছে আর পড়ছে।
তারপর রেখে দিচ্ছে। তার ফাইল সে এখনও খুঁজে পায় নাই।
রাবেয়ার একটু আধটু ভয় লাগছে।
বাসায় রাবেয়া আর সালেহা ছাড়া আর কেউ নাই।
লোকটা বলেছিলো তার নাম মেহমুদ। সোবহান চাচার ছেলে।
সোবহান চাচাকে সে দেখে নাই বাবার মুখে তার নাম শুনেছে।
বাবার খুব ভালো বন্ধু।বাবা বেঁচে থাকলে এতটুকু তো লোকটির জন্য করতো
ফাইলটা বাবার ঘরে আছে কিনা তাও জানা নাই।

রাত বাড়ছে।লোকটা কি যাবেনা।লোকটার কোন ভ্রুক্ষেপ নাই।
সে বিকাল থেকে একটার পর একটা ফাইল খুলছে আবার রেখে দিচ্ছে।
মাঝখানে একবার সে শুধু বাইরে গিয়েছে।
তারপর আবার ফাইল নিয়ে বসেছে।
আকাশে মেঘ ডাকছে।বৃষ্টি নামবে যে কোন সময়।
বাসায় কাজের মেয়েটা সালেহা ছাড়া আর কেউ নাই।
একা বাসায় তার ভয় করছে।লোকটি অবশ্য তার রুম থকে বের হয় নাই।
তার কাজ নিয়েই আছে।খারাপ না মনে হয়।রাবেয়া মনে মনে এসব ভাবছে আর চিন্তা করছে।
আজ দুদিন যাবৎ সে স্কুলে যায় নাই।সে একটা স্কুলের টিচার।
গ্রামের এক ব্যবসায়ী আনোয়ার তাকে খুব জ্বালতন করে।
আজ দুইবছর ধরে আনোয়ার এমন করছে।
আনোয়ার তাকে বিয়ে করতে চায়।
আনোয়ারের দোকানের সামনে দিয়ে রাবেয়া কে প্রতিদিন স্কুলে যেতে হতো।
প্রায় সময় তাকে এটা ওটা বলতো।রাবেয়া শুনেও না শুনার ভান করতো।
কি হবে এসব বখাটেদের সাথে কথা বলে।
একদিন তো আনোয়ার পথ আটকিয়ে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেয়।হাত ধরতে চেয়েছিল।তখন রাবেয়া আনোয়ারকে কষে একটা চড় দেয়।
বলে আর যেনো তোকে আমার পথে না দেখি।
এটা নিয়ে বাবা চেয়ারম্যান এর কাছে বিচার দেয়।
চেয়ারম্যান চাচা পরে আনোয়ারের বাবা মায়ের কাছে নালিশ জানানো হলে আনোয়ার কিছুটা শান্ত হয়।কিন্ত সে থামেনা।
রাবেয়ার যাওয়ার পথে সে এটা ওটা সারাক্ষন বলতে থাকে।
তাই বাধ্য হয়ে রাবেয়া তার স্কুলে যাওয়ার পথ পরির্বতন করে।
তাতেও লাভ হলো না আনোয়ার ও তার বন্ধুরা ঐপথে দাঁড়িয়ে থাকতো।
বাধ্য হয়ে বাবা তার সাথে যেতো।একবার তাকে দিয়ে আসতো আবার ছুটির সময় নিয়ে আসতো।
এখন বাবা মারা যাওয়ার পর আনোয়ারের সাহস খুব বেড়েছে।
গত পরশুদিন রাবেয়া একা একা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিলো।
পথে আনোয়ার ও তার বন্ধুরা রাবেয়ার পথ আাটকায়।
রাবেয়ার হাত ধরে টেনে হিচরে দোকানের মধ্যে নিয়ে যেতে চায়।
রাবেয়ার চিৎকারে আশেপাশের মানুষ সব জড় হয়ে যায়।
পরে হেড স্যর ও বাবার বন্ধু আলি চাচা তাকে বাঁচায়।
এরপর থেকে রাবেয়া ঘর থেকে বের হয় না।
দুইদিন ধরে ঘরেই বসে আছে।ঘরে বাজারের কিছু নাই।
ভয়ে রাবেয়া বাজারে যায় না।
সালেহা কে ও বাজারে পাঠায় না ও ঘরে একা থাকতে পারবে না বলে।রাবেয়া বারান্দা দিয়ে দেখেছে আনোয়ারের একজন বন্ধু তাদের বাড়ির উপর নজর রাখছে।
তার ভিষন ভয় করছে।আনোয়ার কে এভাবে কয়দিন আটকানো যাবে?
আলি চাচার বাড়ি কয়েকটা বাড়ির পরে সেখানে চলে যাবে কিনা সে ভাবছে।
কিন্তু এভাবে কয়দিন থাকা যাবে।আলি চাচা বলেছে ব্যাপার টা সে দেখছে।
কিন্তু আনোয়ারের বিরুদ্ধাচারণ করবে কয়জন?
বৃষ্টির শব্দে তার হুস হয়।
সে আবার মেহমুদের কাছে যায়।
মেহমুদ চেয়ারে বসে আছে।রাবেয়াকে দেখে উঠে দাঁড়ায়, হতাশার সুরে বলে পেলাম না।
এই আলমারিতে নেই।কাল পাশের আলমারি টায় একটু খুঁজবো।আজ খুব টায়ার্ড লাগছে।এখানে কোন হোটেল হবে রাতে থাকার মত।
রাবেয়া বলে, এটা মফস্বল অঞ্চল এখানে হোটেল কোথায়।
বড়জোর খাবারের দোকান পাবেন আপনি।
তাও বৃষ্টির কারনে হয়তো বন্ধ হয়ে গেছে।এখন রাত দশটা বাজে
মেহমুদ কে খুব অসহায় দেখায়।তাহলে উপায়।
আচ্ছা দেখি, বাইরে যাই।কিছু একটা ব্যবস্থা করতে হবে।
নইলে রাস্তায় থাকতে হবে।আপনি আমার জন্য অনেক কষ্ট করলেন।

না, না, কি যে বলেন।রাবেয়া একটু যেনো ভাবে, বলে
এক কাজ করুন আপনি আজ এখানেই থেকে যান।
—না।না।আপনাদের অসুবিধা হবে।
আমি ঠিক একটা ব্যবস্থা করে নিব চিন্তা করবেন না। মেহমুদ বলে
কিছু হবে না।আপনি বাবার রুমে ঘুমাতে পারবেন।এই বৃষ্টিতে অজানা এলাকায় আপনি কোথায় কি খুঁজবেন।চোর ডাকাতের ও তো ভয় আছে।
থাকুন ,আমি আপনার খাবারের ব্যবস্থা করছি কেমন।
রাতে খাবারের আয়োজন খুব সামান্য।ছোট মাছ, ডিম ভুনা আর ডাল
তারপর ও মেহমুদ খুব স্বাদ করে খেলো।ওর খুব ভালো লেগেছে।
রান্না খুব ভালো হয়েছে।ছোট মাছে মনে হয় জলপাই দেওয়া ছিলো।
আহা!  কত দিন পরে এই মাছ খেলো।বিদেশে ছোট মাছ কোথায় আর এভাবে কে রান্না করবে।
মেহমুদ ওসমান চাচার ঘরে ঘুমাতে চলে যায়।
একই ঘরের দুই ছাদের নিচে দুইজন অপরিচিত মানুষ একসাথে।
দুইজনই চিন্তিত।ভাবতে ভাবতে দুইজনই ঘুমিয়ে পরে।

গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পরছে কাল রাত থেকে থামার কোন লক্ষন নাই।
মেহমুদ সকাল থেকে ওসমান চাচার চেম্বার বসে সবগুলো ফাইল খুজে দেখেছে।
তার মধ্যে সোবহান সাহেব নামে কোন ফাইল নাই।এখন দুপুর। তার বিরক্তি এখন চরমে।এভাবে একজন অচেনা অজানা মানুষের বাসায় কতক্ষন থাকা যায়।ওসমান চাচা থাকলে না হয় একটা কথা ছিল।মেয়েটা ভদ্রতা করে হয়তো কিছু বলছে না।বিকেল পর্যন্ত সে খুঁজবে তারপর রাতের বাসে সে ঢাকা চলে যাবে।
আপনার দলিলটা কি খুঁজে পেয়েছেন।হঠাৎ কণ্ঠস্বের মেহমুদ চমকে উঠে।
ও রাবেয়া আপনি?
পেয়েছেন আপনার ফাইলটা রাবেয়া আবার জিজ্ঞেস করে
না, এখনও পাইনি।মেহমুদ বলে
ও,আসুন খাবার খেয়ে যান।
খাবার টেবিলে দেওয়া হয়েছে।
এই বলে রাবেয়া চলে যেতে নেয় হঠাৎ বলে,  মেহমুদ সাহেব আমাদের বারান্দার স্টোর রুমে একটা বাক্সে বাবা কতগুলো ফাইল রেখেছিলো।ওগুলো কি দেখবেন?
হ্যাঁ, হ্যাঁ অবস্যই দেখবো। এখানে কিছু দেখা বাকি আছে।এগুলো শেষ করে বারান্দার গুলো দেখি।
ঠিক আছে, আগে খেয়ে নিন।রাবেয়া বলে চলে যায়।

দুপুরে খাওয়ার পর মেহমুদের মাথাটা একটু ধরেছে।সে গনি চাচার রুমে একটু শুুয়ে আছে।কখন যে তার তন্দ্রা চলে এসেছে খেয়াল নাই।
চিৎকার চেঁচামেচিতে ঘুম ভেঙে গেছে।উঠে গিয়ে দেখে দরজায় অনেক মানুষের ভীড়।
রাবেয়া আর সালেহা একপাশে দাড়িয়ে আছে।রাবেয়া কি কাঁদছে!

কেন??
কি হয়েছে? এত লোকজন কেনো?

এক লোক ফর্সা মতো লোক উনিই বেশি জোরেশোরে কথা বলছে ।

—-দেখছেন চেয়ারম্যান চাচা ,আলি চাচা।সবাই দেখেন
এই মাইয়ার চরিএ খারাপ।বাপ মরতে না ঘরের ভিতর লোক ঢুকাইছে।

ঘরের ভিতর ব্যবসা শুরু করছে।সেইদিন আমার কাছে টাকার লাইগা আইছিলো।আমি কইলাম টাকা তো সাথে নাই।দোকানে টাকা আছে। দোকানে আহো।

রাবেয়া আমার লগে দোকানে গেলো।টাকা কম দিসি দেইখা চিৎকার কইরা লোক জড় করলো।

আর আপনাগো কইলো আমি নাকি জোর কইরা ধইরা আনছি।আমনেরা আমার কথা বিস্বাস করলেন না।সবাই মিলে আমার দোষ দিলেন।

মেহমুদ কে দেখিয়ে বলে এই লোক দুই দিন ধইরা রাবেয়ার লগে আছিলো ।আমনেরা বিচার করেন।
এই মাইয়া ভালা না।
—আহা, আনোয়ার চুপ কর চেয়ারম্যান বলেন…
—রাবেয়া এই লোক কে? চেয়ারম্যান চাচা জিজ্ঞেস করেন
—উনি একটা কাজে এসেছেন চাচা রাবেয়া বলে
—তা রাইত ভইরা কি কাম করছে নি।বলেই আনোয়ার বিচ্ছিরি ইংগিত করে হাসতে থাকে।
রাবেয়ার চোখ ফস্ করে জ্বলে উঠে বলে, নোংরা মানুষ নোংরামি জিনিস ই চিন্তা করে।
তুই কেনো এসব বলছিস তা সবাই জানে।ইতর কোথাকার।

–হ্যাঁ।আমি ইতর।আর তুমি নষ্টা মাইয়া লোক। বলেই আনোয়ার খ্যাঁক খ্যাঁক করে হাসে।
এতক্ষন মেহমুদ সব শুনছিলো আর সহ্য হয় না
আনোয়ারের কলার ধরে হেঁচকা টান মেরে নাক বরাবর এক ঘুষি মারে মেহমুদ।ঘটনার আকস্মিকতায় আনোয়ার হুমরি খেয়ে মাটিতে পরে যায়।
নাক দিয়ে গল গল করে রক্ত পরছে।নাকে হাত দিয়ে সে উঠে দাঁড়ায় বলে, শালা হিরোগিরি করিস।দাঁড়া,
মনসুর,জামাল,মিলন,কামাল
ধর হিরোরে।
আনোয়ারের বন্ধুরা মিলে মেহমুদকে টেনেহিচরে রাস্তায় টেনে নিয়ে কিল ঘুষি মারতে থাকে।
মেহমুদ ও কম যায় না।সে ও সমান তালে কিল ঘুষি মারছে।কিন্তু ওরা চারজন আর ও একা।ওদের সাথে কি পারা যায়।মেহমুদের ঠোঁট কেটেছে ।সার্ট ছিঁড়ে গেছে
রাবেয়া দৌড়িয়ে রাস্তায় নামে সাথে সাথে।
ছাড় তোরা।উনাকে ছেড়ে দে,শয়তানের দল।।
আলি চাচা,চেয়ারম্যান চাচা মেহমুদ কে বাঁচান। উনার কি দোষ।রাবেয়া চিৎকার করে বলতে থাকে।
তারপর আলিচাচা, চেয়ারম্যান চাচা আশেপাশে মানুষ মিলে ওদের থামায়।
সবাই একটু ধাতস্থ হওয়ার পর শালিস বসে….
চেয়ারম্যান চাচা,আলিচাচা,হেডস্যার,মৌলানা চাচা আরো কিছু মানুষ বসে আছে।
কিছু মানুষ দাঁড়িয়ে আছে।পাড়া প্রতিবেশী সবাই মনে হয় চলে আসছে।
সবাই তামাসা দেখছে।কানাঘুসা করছে রাবেয়ার নামে।
কেউ সত্যি মিথ্যা জানতে চায় না।
একটা মেয়ের প্রতি অপবাদ দেওয়া মনে হয় খুব সহজ।
কি বিচিএ আমাদের এই সমাজ ব্যবস্থা।
রাবেয়া এক কোনায় মাথায় আঁচল দিয়ে দাড়িয়ে আছে।
মেহমুদ মুখ শক্ত করে দাঁড়িয়ে আছে।
সমাজপতিরা কি বলতে চায় তা যেনো বুঝতে চাইছে।
আনোয়ারের গলা সবচাইতে উঁচুতে,আজ সে সমাজসেবক।

কি বিচিএ!

কি বিচিত্র!!

—-চেয়ারম্যান সাব, এভাবে চলতে পারেনা ।এলাকার আর ও মাইয়ারা আছে।ওরা ও খারাপ হইয়া যাইবো।এর একটা বিহিত করেন।আনোয়ার বলে
—-আনোয়ার ,থাম তুমি।রাবেয়া তুমি কিছু বলবে।আলি চাচা জিজ্ঞেস করেন
—চাচা মেহমুদ সাহেব একটা কাজে এসেছিলেন।উনার একটু আশ্রয়ের দরকার ছিলো।তাই আশ্রয় দিয়েছি।
—মা তুমি একা থাকো।
যে কোন বিপদ আপদ তো হতে পারতো।
আমার বাড়িতে পাঠিয়ে দিলে না কেনো।আলি চাচা বলেন
—চাচা আমি ওভাবে চিন্তাকরি নাই।রাবেয়া বলে
—আপনার বাড়িতে পাঠাইয়া দিলে টাকা পাইতো নাতো।বলেই আনোয়ার হাসতে থাকে।
—আহা ,আনোয়ার চুপ করবে একটু।
–চেয়ারম্যান সাহেব কি করা যায়।আপনিই বলেন।আলি চাচা বললেন।
–রাবেয়া তুমি মেহমুদ সাহেবকে আগে থেকে চিনতা।চেয়ারম্যান প্রশ্ন করে
–না চাচা।আমি তাকে আশ্রয় দিয়েছিলাম চাচা।রাবেয়া বলে
–হঠাৎ আনোয়ার বলে উঠে,আমার একটা কথা ছিলো চেয়ারম্যান সাব,যা হবার হইছে।বাদ দেন সব।রাবেয়া একলা থাকে।এই ঘটনার পর।গেরামের জোয়ান পোলাপান রাবেয়ার ঘরে আনাগোনা করবো।হে তখন সবাই রে আশ্রয় দিবো।

আরও খারাপ হইবো।তার থাইকা যদি আপনেরা অনুমতি দেন তাইলে রাবেয়ারে আমি বিয়া কইরা ঘরে তুলতে চাই।
মৌলানা সাহেব এখানে আছেন।কি মৌলানা সাহেব কতা কন না কেন!
–রাবেয়া চিৎকার করে বলে,কখনই না।আমি এই বিয়ে মানিনা।
—তুমি চুপ থাকো।বেহায়াপনা বহুত করছো।আর না
হ্যাঁ। হ্যাঁ। এডা ভালা প্রস্তাব। মৌলানা বলে
—চেয়ারম্যান সাব,আলি ভাই কি কন আপনারা।
নাইলে এই মাইয়ারে বিয়া করবো কে। বাপ মা মরা, আমাগো একটা দ্বায়িত্ব আছে। মৌলানা বলে
–আনোয়ারের সাথে বিয়ে হলে আমি গলায়দড়ি দিব।বলেই রাবেয়া ঢুকরে কেঁদে উঠে।

—হঠাৎ মেহমুদের কি যেনো হয়, সে দৃঢ়কণ্ঠে মেহমুদ বলে, আমি রাবেয়াকে বিয়ে করতে চাই আলি চাচা।
যদি রাবেয়া রাজি থাকে।
–কিন্তু ,আলি চাচা বলে।কোন কিন্তু নয় আপনি ব্যবস্থা করুন।মেহমুদ বলে
রাবেয়া অবাক হয়ে মেহমুদের দিকে তাকায়।
মেহমুদ ও রাবেয়ার দিকে চোখ তুলে তাকায়,যেনো বলছে ভরসা রাখো আমার উপর।
সব ঠিক হয়ে যাবে।
মেহমুদের দিকে তাকিয়ে কিছু বলতে চেয়ে ও থেমে যায় আলি চাচা
বলে ঠিক আছে।
সেদিন সন্ধ্যায় একলক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করিয়া মেহমুদ ও রাবেয়ার বিবাহ সম্পন্ন হইয়া যায়।

চলবে।।

About Bithi Sultana

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *